আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খুলনা > খালের কচুরিপানা অপসারণ করে কৃষকের ভোগান্তি নিরসনে দাবি

খালের কচুরিপানা অপসারণ করে কৃষকের ভোগান্তি নিরসনে দাবি

খালের কচুরিপানা অপসারণ করে কৃষকের ভোগান্তি নিরসনে দাবি

প্রতিচ্ছবি বাগেরহাট প্রতিনিধি :

খালের কচুরিপানা অপসারণ করে কৃষকের ব্যবহার উপযোগী করার দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার সকালে বাগেরহাটে প্রেসক্লাবে মীর জুলফিকার আলী লুলু অডিটোরিয়ামে বাগেরহাট জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের রাজনৈতিক ফেলো ইমরুল কায়েস এ দাবি জানান।

বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের উৎকূল গ্রাম বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনে জন্য খ্যাতি রয়েছে। এই গ্রামের শতকরা ৮৫ ভাগ মানুষ কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। এই এলাকার কৃষকেরা প্রায় সারা বছরই বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ মাছ চাষ ও ধানের চাষ করে থাকে।

তবে চাষাবাদের জন্য জুগীখালী খালের একটি শাখা খাল উৎকূল গ্রামের মধ্যদিয়ে প্রায় ১ কিলোমিটার প্রবাহিত । এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক কৃষক কৃষি কাজের জন্য এই খালের পানির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু গত ২/৩ বছর ধরে এই খালে কচুরীপানা ও আবর্জনা, জমে খাল ও খালে পানি প্রবাহ অনেক কমে গেছে। কৃষকেরা কাদের ফসলের মাঠ ও মাছের ঘেরে পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পায় না। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে খাল দিয়ে পানি সরতে না পারায় এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

এছাড়া পূর্বে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল এই খালে নৌকায় মাধ্যমে পরিবহন করত। কিন্তু কচুরিপানা ও আবর্জনায় খালটি ব্যবহার অনুপোযগী হওয়ায় এখন কৃষকেরা তাদের ফসল ভ্যানগাড়ি ও ট্রাকের মাধ্যমে পরিবহন করে। যা অনেক ব্যায়বহুল।

শীত মৌসুমে এই এলাকার কৃষকেরা ব্যাপক পরিসরে সবজি উৎপাদন করে থাকে। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমানে পানি সরবারহ না থাকায় কৃষক উৎপাদন নিয়ে শংকিত ।

খালের উপর ৫ শতাধিক কৃষকের প্রায় দু’শ একরের জমির ফসল থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার সবজি, মাছ ও ধান উৎপাদন করে থাকে। বয়ে যাওয়া এই খালের উপর কেবল ৫’শত কৃষক নয় তাদের পরিবার ও এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন জড়িত। কিন্তু এই খাল দিয়ে কৃষকদের সবজি পরিবহনে নৌকা চলাচল ও ক্ষেতে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যশনাল-এর সিনিয়র রিজিওনাল কোঅর্ডিনেটর (খুলনা) আমেনা সুলতানা, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আহাদ হায়দার, যাত্রাপুর ইউপি সদস্য দীপক সাহা, জেলা যুবলীগের সদস্য সচিব মীর জায়েসী আশরাফী জেমস প্রমুখ।

ইমরুল কায়েস/ এ এস

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে