আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > রোহিঙ্গা সংকট > রোহিঙ্গা নিধনে অস্ত্রের যোগানদাতা ইসরায়েল

রোহিঙ্গা নিধনে অস্ত্রের যোগানদাতা ইসরায়েল

রোহিঙ্গা নিধনে অস্ত্রের যোগানদাতা ইসরায়েল

প্রতিচ্ছবি ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:

গত কয়েকদিন ধরে রোহিঙ্গা নির্যাতন তুঙ্গে। হাজার হাজার মানুষ পালিয়ে এসে আশ্রয় নিচ্ছে বাংলাদেশে। মানবেতর জীবন যাপনের রক্ত হিম করা দৃশ্য প্রতিনিয়ত বিবেককে নাড়া দিচ্ছে। মিয়ানমার আর্মি অত্যাচারে বাস্তুহারা ও আহত মানুষ দিশেহারা। এমন অবস্থায় ভয়াবহ খবর প্রকাশ করেছে কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী মিয়ানমার আর্মিকে সকল প্রকার অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে সাহা্য্য করছে ইসরায়েল।

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীকে নিধনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে সকল প্রকার অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে ইসরায়েল। তাদের সরবরাহকৃত অস্ত্রেই আরাকানে চলছে রোহিঙ্গা নিধন অভিযান।

১৯৪৯ সাল থেকেই মিয়ানমার আর ইসরায়েল কূটনৈতিক সম্পর্ক বহাল রয়েছে। দুদেশের মধ্যে অস্ত্র কেনাবেচার সম্পর্ক বহু পুরনো।

রোহিঙ্গা নিধনে অস্ত্রের যোগানদাতা ইসরায়েল

২০১৫ সালের মিয়ানমারের সামরিক প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিং অং হাইং ইসরায়েল সফরে যান তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে। ৪ দিনের ওই সফরে দুদেশের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশকিছু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ইসরায়েলি অস্ত্র কোম্পানি শুধু মিয়ানমারকে অস্ত্র দিয়েই সাহায্য করেনা, বরং মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে অস্ত্র চালানোর দক্ষ প্রশিক্ষণ ও দিয়ে থাকে।

ইতোমধ্যে প্রায় ১০০টি ট্যাঙ্ক, গানবোট, মিসাইল-সহ অন্যান্য মরণাস্ত্র মিয়ানমার সেনাকে দিয়েছে ইসরায়েল। শুধু তাই নয়, এই ইস্যুতে নাইপিদোকে সবধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে তেল আবিব। প্রবল আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে মিয়ানমারকে অস্ত্র সহযোগিতা করছে ইসরায়েল। ইসরায়েল এর মানবাধিকার কর্মীরা এই অস্ত্র যোগান দেয়া বন্ধ করতে বলে আপিল ও করেছে। কিন্তু তেল আবিব বিষয়টি প্রত্যাখান করে বলছে, বিষয় টি দু দেশের কুটনৈতিক সম্পর্কের সাথে সংশ্লিষ্ট। আন্তর্জাতিক নিয়মনীতিরও তোয়াক্কা করছেনা ইসরায়েল।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মিয়ানমারের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে এখন পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে বাংলাদেশে। আন্তর্জাতিক মহল থেকে সু চি’র অবস্থা নিয়ে কড়া সমালোচনা উঠলেও এখন পর্যন্ত এথনিক ক্লিনজিং এর নামে গণহত্যা ও অত্যাচার চলছে। রোহিঙ্গাদের বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত সংখ্যালঘু জনগোষ্টি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই, টাইমস ওফ ইন্ডিয়া, প্রেস টিভি

এন টি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে