আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অপরাধ > বিরোধী নেতা-কর্মীদের হত্যার মিশনে নেমেছে সরকারঃ খালেদা

বিরোধী নেতা-কর্মীদের হত্যার মিশনে নেমেছে সরকারঃ খালেদা

২৬ মে, ২০১৭

bnp
প্রতিচ্ছবি ডেস্ক:
খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফুলতলা উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিঠুকে হত্যার নিন্দা জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, সরকার বিরোধী নেতা-কর্মীদের হত্যার ‘মিশনে’ নেমেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত হন খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফুলতলা উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিঠু। ওই হামলায় তার এক সহযোগীও নিহত হন।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, “এই হত্যাকাণ্ড কাপুরুষোচিত। দেশব্যাপী বিএনপির নেতা-কর্মীদের হত্যার মাধ্যমে হাত রক্তে রঞ্জিত করে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রটিকে এখন গোরস্তানে পরিণত করা হয়েছে।”
বিএনপির বলিষ্ঠ নেতা-কর্মীদের বেছে বেছে হত্যা করা হচ্ছে দাবি করে খালেদা বলেন, “মিঠুকে নির্মম কায়দায় হত্যা সরকারের ধারাবাহিক প্রাণঘাতী নৃশংসতারই আরেকটি বহিঃপ্রকাশ।”

বিরোধীদের মুখ বন্ধ রাখতে ভয় ধরাতেই মিঠুকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সরকারকে হুঁশিয়ার করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, “রক্তপাত ঘটিয়ে জীবন কেড়ে নিয়ে ভীতির সৃষ্টি করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না। জনগণ আর বসে থাকবে না, দুঃশাসন মোকাবেলায় অব্যাহত রক্তপাতের কর্মসূচিকে সম্মিলিত শক্তি দিয়ে প্রতিহত করবে।”

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ফুলতলা উপজেলার দামোদর গ্রামে মিঠুর নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গুলি হত্যা করা হয়। এ সময় তার দেহরক্ষী নওশের ও বিএনপি নেতা সৈয়দ ফজলুল আলম গুলিবিদ্ধ হন। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এর আগে ১৯৯৮ সালের ১৮ আগস্ট মিঠুর বাবা দামোদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার আবুল কাশেমকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এ ছাড়া ২০১০ সালের ১৬ আগস্ট উপজেলা পরিষদের সামনে মিঠুর ভাই দামোদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার আবু সাঈদ বাদলকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া ২০১০ সালে খুলনার শিরোমনি এলাকায় মিঠুকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মিঠুর বাড়ি খুলনা-যশোর মহাসড়কের পাশেই দামোদর গ্রামে। বাড়ির বিপরীতে ‘মেসার্স মিঠু এন্টারপ্রাইজ’ নামে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

রাতে দেহরক্ষী ও ৪-৫ জনসহ তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসেছিলেন।
রাত ১০টার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে ছয়জন আসে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে। তারা প্রতিষ্ঠানে ঢুকেই মিঠুর মাথায় গুলি করে। এরপর তাকে লক্ষ্য করে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে তিনি ছাড়াও দেহরক্ষী নওশের ও বিএনপি নেতা ফজলুল গুলিবিদ্ধ হন। আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে মোটরসাইকেল চালিয়ে সন্ত্রাসীরা চলে যায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে