আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > কোরবানির চামড়ার দামে তারতম্য, পাচারের আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের

কোরবানির চামড়ার দামে তারতম্য, পাচারের আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের

কোরবানির চামড়ার দামে তারতম্য, পাচারের আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক :

রাজধানীতে কোরবানির পশুর চামড়া কেনাবেচা শুরু হয়েছে। সারা বছর যে গরু ও মহিষ জবাই হয় এর ৬০ শতাংশই হয়ে থাকে কোরবানি দিন। এজন্য এই দিনে চামড়া কিনেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। আজও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের ব্যাপক তৎপরতা চোখে পড়েছে।

কাঁচা চামড়ার দাম সরকার নির্ধারণ করে দিলেও বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেছে দামের তারতম্য। রামপুরা ও মধুবাগে যে চামড়া বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় সেই চামড়াই সাইন্সরল্যাব বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১৩০০ টাকায়।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চামড়া কেনা শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। চামড়ার দর নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, এবার ৯০ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এবার ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ধরা হয়েছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, ঢাকার বাইরের গরুর চামড়ার দাম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। এ ছাড়া প্রতি বর্গফুট ছাগলের চামড়ার দাম সারাদেশে ২০ থেকে ২২ টাকা এবং খাসির চামড়ার দাম ১৫ থেকে ১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাখাওয়াত অভিযোগ করেন, কোরবানির সময় মিল মালিকরা লবণের দাম বাড়িয়ে দেন। ফলে তাদের চামড়া সংরক্ষণে খরচ বেশি হয়।

কোরবানির চামড়ার দামে তারতম্য, পাচারের আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের

পুরান ঢাকার পোস্তা এলাকায় দেখা যায় চামড়া ঢুকছে বিভিন্ন আড়তে। এক চামড়া ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা সারা বছর চামড়া ব্যবসা করি, কিন্তু মৌসুমি ব্যবসায়ীদের জন্য আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’ এসময় তিনি সত্যিকারে চামড়া ব্যবসায়ীদের সরকারের সহায়তার আহ্বান জানান। ভারতের বাজারে চামড়ার দাম বেশি হওয়ায় পাচারের আশঙ্কাও করেন তিনি।

রাজধানীর পোস্তা কাঁচা চামড়ার সবচেয়ে বড় বাজার। বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ব্যাবসায়ীরা চামড়া নিয়ে আসেন। মৌসুমী ব্যবসায়ীরাও এখানে আসেন কাঁচা চামড়া নিয়ে।

এদিকে সাভারে ইতোমধ্যেই চামড়া নিয়ে ট্রাক ঢোকা শুরু করেছে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখানে যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না। প্রধান সড়কটির বেহাল দশা।

এবারের কোরবানি মৌসুমে সংগৃহীত কাঁচা চামড়ার শতভাগ প্রক্রিয়াজাত করতে হবে সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীতে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের  সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ‘সাভারে আমাদের ৮০টি কারখানা প্রস্তুত রয়েছে। হাজারিবাগের চেয়ে তিন গুণ বেশি সক্ষমতা রয়েছে এ কারখানার।’

তিনি অভিযোগ করেন ‘বিসিসিকের অব্যবস্থাপনা আমাদের ঘাড়ে পড়ছে। চামড়া হয়তো সংরক্ষণ করা যাবে কিন্তু ফিনিস লেদার যেটা আমরা রপ্তানি করি সেটা করতে আমাদের সমস্যা হবে। এখনো সব কারখানায় গ্যাস দেয়া হয়নি। রাস্তাও ভাঙাচোরা। ডাম্পিংয়ের কোনো কাজই এখনো ধরা হয়নি।’

এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে