আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > ঢাকা > রূপার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

রূপার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

রূপার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

প্রতিচ্ছবি টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর হত্যার শিকার রূপার লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুর রহিম সুজনের উপস্থিতিতে লাশ টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে উত্তোলন করে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে নিহত রুপার বড় ভাই হাফিজুর রহমান প্রামাণিক লাশ বুঝে নেন।

এরআগে গত মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যরা রুপার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের জন্যে মধুপুর থানায় আবেদন করেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ আদালতে লাশ উত্তোলনের আবেদন করে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খান মো. নুরুল আমিন রুপার লাশ কবর থেকে তুলে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।

এদিকে গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আটক ৫ আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামিরা বর্তমানে টাঙ্গাইল কারাগারে রয়েছেন।

ঢাকা আইডিয়াল ‘ল’ কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে (২৭) শুক্রবার রাতে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করে তার রক্তাক্ত মরদেহ মধুপুর জঙ্গলে ফেলে দেয় ওই পাঁচ আসামি। পুলিশ ওই আইনের ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে বেওয়ারিশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করে। পরবর্তীতে লাশ শনাক্তের পর রূপার বড় ভাই হাফিজুর রহমান থানায় মামলা দায়ের করেন।

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে খবর পেয়ে মধুপুর থানা পুলিশ উপজেলার পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের সড়কের পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় অজ্ঞাত এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে। পরদিন শনিবার টাঙ্গাইল মর্গে লাশের ময়নাতদন্তের পর শহরের কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়। পরে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার আসানবাড়ি গ্রামের হাফিজুর রহমান মধুপুর থানায় গিয়ে লাশের ছবি দেখে সেটি তার ছোট বোন জাকিয়া সুলতানা রূপার (২৭) লাশ বলে সনাক্ত করেন। রূপার স্বজনদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ-বগুড়া সড়কে চলাচলকারী ছোঁয়া পরিবহনের চালক, সুপারভাইজার ও তিন হেলপারকে আটক করে পুলিশ।

এসএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে