আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > কোরবানির ঈদকে ঘিরে বাড়ছে কামারপাড়ার ব্যস্ততা

কোরবানির ঈদকে ঘিরে বাড়ছে কামারপাড়ার ব্যস্ততা

কোরবানির ঈদকে ঘিরে বাড়ছে কামারপাড়ার ব্যস্ততা

প্রতিচ্ছবি চাঁদপুর প্রতিনিধি :

ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে লোহার বিভিন্ন জিনিস গড়ার কারিগরদের বেড়েছে ব্যস্ততা। একটানা চাঁদরাত পর্যন্ত থাকবে কাজের চাপ। কোরবানি ঈদে প্রয়োজনীয় লোহার জিনিস বানাতে অনেকেই ছুটে যাচ্ছেন চাঁদপুরের কামারশালায়। দাম তুলনামূলক বেশি দাবি করলেও পছন্দ মত ধারালো সামগ্রী বানাতে ও কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা।

চাঁদপুর শহরের তালতলা, দেবপুর ও রামপুর, হাজীগঞ্জের কামার পট্টিসহ জেলার ছোটবড় বাজার গুলো ঘুরে দেখা যায়, ক্রিং ক্রিং, খ্যাচ খ্যাচ শব্দই বলে দিচ্ছে কামারদের ব্যস্ততা বেড়েছে বহুগুণে। যে নেই দম ফেলার ফুরসত। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, বাড়ছে ব্যস্ততা, বাড়ছে পরিশ্রম। রয়েছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জিনিষ সরবরাহের চাপ। তাই কারিগররা খাটছেন দিন রাত।

কোরবানির ঈদকে ঘিরে বাড়ছে কামারপাড়ার ব্যস্ততা

কামারপন্য ব্যবসায়ীদের মতে, দা পওয়া যাচ্ছে ২শ থেকে ১৫টাকার মধ্যে, বিভিন্ন প্রকারের ছুরি আছে ১শ থেকে ১২টাকার মধ্যে, তাক্কাল পাওয়া যায় ৪শ থেকে ৮শ টাকায় আর কুড়াল পাওয়া যায় ৫শ থেকে ১৩টাকার মধ্যে।

রামপুর বাজারের অসিত কর্মকার জানান, ঈদ উপলক্ষ্যে কাজ বেড়েছে। অর্ডার অনেক বেশি। প্রতিবছরই কোরবানীর ঈদে এমন চাপ বাড়ে। কষ্ট হলেও যথা সময়ে ক্রেতাদের মাল বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি।

ক্রেতা মানিক মিয়া জানান, দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। এখন প্রয়োজনেই কিনতে হচ্ছে। যদিও অনেকেই এসব প্রয়োজনীয় জিনিস না কিনে পূর্বের গুলো মেরামত বা ধারালো করে নিচ্ছে।

অবশ্য ব্যবসায়ী ঝন্টু কর্মকার জানান, এখন এসব লোহার জিনিসপত্র বানাতে অনেক খরচ পড়ে। কোরবানি ঈদের মাস খানেক পূর্বেই দা, বটিদা, ছুরি, ধামা, কুড়াল তৈরীর ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায়। এসময় অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ আর বাড়তি লোকবল নিতে হয় বলেও জানান তিনি।

রিয়াদ ফেরদৌস/এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে