আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > ইভিএমের পক্ষে নয় সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, ইসি নিয়োগে জাতীয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব

ইভিএমের পক্ষে নয় সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, ইসি নিয়োগে জাতীয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব

ইভিএমের পক্ষে নয় সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, ইসি পুনর্গঠনের প্রস্তাব

ইফতি মাহবুব :

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিপক্ষে মত দিয়েছে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট। সেই সঙ্গে ইসি নিয়োগে জাতীয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

বৃহস্পতিবার বিকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রথমদিনের সংলাপে ১২ প্রতিনিধির দলটি এ সুপারিশ করেছে বলে জানিয়েছেন ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের সঙ্গে মত বিনিময় করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। এসময় চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিজোটের সংগঠন প্রধান আবু লায়েস মুন্না জানান, ই-ভোটিংয়ের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত দক্ষতার সঙ্গে মানুষের প্রস্তুতিও প্রয়োজন রয়েছে। তা মাথায় রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ই-ভোটিং করে পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনের বিষয় ভাবার জন্যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে এ মুহুর্তে প্রযুক্তিটি ব্যবহার না করার জন্যে বলেছি। সংসদ নির্বাচনে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টি অবান্তর। সুতরাং প্রস্তুতি ও প্রতীক্ষায় শ্রেয়।’

সংলাপে দলটির পক্ষ থেকে জাতীয় পরিষদ গঠন, প্রবাসীদের ভোটাধিকারসহ বেশ কিছু আইন সংস্কারের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

ইভিএমের পক্ষে নয় সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, ইসি পুনর্গঠনের প্রস্তাব

মত বিনিময় শেষে ইসির সচিব হেলালুদ্দীন জানান, সংলাপে মুক্তিজোটের পক্ষ থেকে ইসি পুনর্গঠন জাতীয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আগামীতে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে নিবন্ধিত দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় পরিষদ গঠন করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে প্রধান করে নিবন্ধিত দলের প্রধান নিয়ে এ পরিষদের নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি।’

সচিব জানান, এ জাতীয় পরিষদ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেলে আগামীতে পরিষদ মনোনীত ব্যক্তিরাই ইসি পুনর্গঠনের ভূমিকা রাখবেন বলে প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

এদিকে, সংলাপ শুরুর প্রথমদিনে বন্যার অজুহাত দেখিয়ে সংলাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)। দলটি আরও এক মাস পরে সংলাপ সূচি রাখার আবেদন জানিয়েছে।

এ বিষয়ে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব বলেন, “দলটি আসতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। তাদের সুবিধা-অসুবিধা থাকতে পারে, এটা খতিয়ে দেখার বিষয় নয়। আমরা কমিশনের কাছে আবেদনটি উপস্থাপন করবো, সময় দেওয়ার বিষয়ে ইসি বিবেচনা করবে।”

বৃহস্পতিবার থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। পর্যায়ক্রমে অন্যদের সঙ্গে সংলাপ চলবে অক্টোবর পর্যন্ত। ঈদুল আজহার আগে টানা ৬ দিন ১২টি দলের সংলাপ করবে ইসি। আর ঈদের পর ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ফের শুরু হবে সংলাপ।

এর আগে ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ অগাস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধির সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে কমিশন।

আইএম/এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে