আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: ভারতের কারাগারে দুর্ধর্ষ জঙ্গি মোরসালিন-মুত্তাকিন

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: ভারতের কারাগারে দুর্ধর্ষ জঙ্গি মোরসালিন-মুত্তাকিন

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: ভারতের কারাগারে দুর্ধর্ষ জঙ্গি মোরসালিন-মুত্তাকিন

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

প্রায় ১১ বছর ধরে ভারতে কারাবন্দী ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার দুই আসামি মোরসালিন ও মুত্তাকিন। দেশে বেশ কয়েকটি জঙ্গি হামলায় জড়িত দুর্ধর্ষ এই দুই জঙ্গি নতুন মিশন নিয়ে ভারতে যাওয়ার পর গ্রেফতার হয়। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র তত্ত্বাবধানে সামরিক প্রশিক্ষণ নেয়া মোরসালিন ও মুত্তাকিনকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চলছে।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ২২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় অভিযুক্ত দুই জঙ্গি আনিসুল ইসলাম মোরসালিন ও মুহিবুল ইসলাম মুত্তাকিন। তাদের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর। সেখানেই জন্ম। এই দুই জঙ্গি পড়াশুনা করেছে ফরিদপুর, ঢাকা ও চট্টগ্রামের ৩টি মাদ্রাসায়। মাত্র ১৪ বছর বয়সে জঙ্গি কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে এই দুই যমজ ভাই। ফরিদপুর, যশোর, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্ত্রের প্রশিক্ষণ নেয় তারা।

২০০৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পিস্তল, বিস্ফোরক ও জাল মুদ্রাসহ গ্রেপ্তার হয় মোরসালিন ও মুত্তাকিন।  এতোদিনেও তাদের ফিরিয়ে আনতে পারেনি সরকার।

বর্তমানে তারা তিহার জেলে রয়েছে। ভারতীয় পুলিশকে দেয়া তাদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করেছে সিআইডি।

তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি রাজধানীর পল্টন ময়দান, ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূল, ১৬ জুন নারায়ণগঞ্জে, ২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে, পরের বছরের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জে ৫টি অনুষ্ঠনে বোমা ও গ্রেনেড হামলার সাথেও জড়িত মোরসালিন এবং মুত্তাকিন।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ৩পাকিস্তান ও আফগানিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামি, লস্কর-ই-তৈয়বা ও জয়শ-ই-মোহাম্মদ’র হয়ে বাংলাদেশ ও ভারতে কাজ করা এই দুই জঙ্গি পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা- আইএসআই’র তত্ত্বাবধানে ২০০৫ সালের ২৩ আগস্ট পাকিস্তানে গিয়ে ৩০ দিনের প্রশিক্ষণও নেয় তারা।

২০০৮ সালে তাদের ঢাকায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি।

নিরাপত্তা বিশ্লষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল  আব্দুর রশীদ জানান, একুশে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িত  পলাতক সব আসামিকেই দেশে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।

দ্রুত বিচার শেষ করে দণ্ড কার্যকরের ব্যবস্থা করা উচিত বলেও মনে করেন তিনি।

ডিডিআর/এমএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে