আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, ঘরে ফিরছে বানভাসিরা

বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, ঘরে ফিরছে বানভাসিরা

বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, ঘরে ফিরছে বানভাসিরা

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক :

টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সৃষ্টি হওয়া বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বসতভিটায় ফিরতে শুরু করেছে বানভাসি লাখো মানুষ। এছাড়া কমছে পদ্মার পানিও। ফলে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে পদ্মাপাড়ের জেলাগুলোতে।

উত্তরাঞ্চলের রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট-সুনামগঞ্জে কমেছে বন্যার পানি।

তবে, বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব। জানা গেছে, ডায়রিয়া-আমাশয়সহ অন্যান্য পানিবাহিত রোগ দেখা না দিলেও জ্বর-ঠান্ডায় ভুগছেন বন্যা কবলিতরা।

এদিকে, হঠাৎ করে পদ্মা নদীতে বেড়ে যাওয়া পানিও কমতে শুরু করেছে। ফলে, স্বস্তি ফিরছে পদ্মাপড়ের মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, মুন্সীগঞ্জ জেলার মানুষের মনে।

রংপুর

রংপুর বিভাগের আট জেলায় বন্যা কবলিত নিম্নাঞ্চলে কমতে শুরু করেছে তিস্তা নদীর পানি। ধীরে ধীরে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে দীর্ঘদিন আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা বানভাসি মানুষেরা।

এদিকে, বন্যার কারণে অনেকেই ভুগছেন পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে। ডায়রিয়া-আমাশয়সহ অন্যান্য পানিবাহিত রোগ মহামারী আকারে দেখা না দিলেও শিশু-বৃদ্ধদের অনেকেই ভুগছেন ঠান্ডা-সর্দি কিংবা জ্বরে।

তবে, এসব রোগ ব্যাধি মারাত্নক আকার ধারণ করার আগেই আক্রান্তদের দেয়া হচ্ছে প্রাথমিক চিকিৎসা।

জানা গেছে, বন্যায় রংপুর বিভাগে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটেছে।

bonna-2

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ

যমুনা নদীর তীরবর্তী বগুড়া-সিরাজগঞ্জে কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি। শনিবার ১৫৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও রোববার সকালে তা বগুড়ায় ৫৭ সেন্টিমিটার ও সিরাজগঞ্জে ৯৭ সেন্টিমিটারে নেমে এসেছে। ফলে, এখনো আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজেদের বসতভিটায় ফিরতে পারছেন না এ অঞ্চলের বানভাসিরা।

এদিকে, বন্যায় বসতভিটা-ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন এ অঞ্চলের বহু মানুষ। তাই ত্রাণের পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের জীবনমানের উন্নয়নের প্রতি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

বন্যায় এ অঞ্চলে ৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে বলে জানা গেছে।

সুনামগঞ্জ

বন্যা পরিস্থিতির সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুনামগঞ্জে। এ অঞ্চলে বন্যার পানি নেই বললেই চলে। আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজেদের বসভিটায় ফিরেছেন বন্যা কবলিতরা।

এছাড়া, পানিবাহিত কিংবা অন্যান্য রোগের প্রাদুর্ভাব খুব একটা দেখা দেয়নি।

কমছে পদ্মার পানি

এদিকে, তিস্তা-যমুনা-সুরমার পাশাপাশি কমতে শুরু করেছে পদ্মা নদীর পানিও। এতে কমেছে পদ্মাপাড়ের মানুষের বন্যাতঙ্ক। স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে পদ্মা নদীর তীরবর্তী মুন্সীগঞ্জ, শরিয়তপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ জেলার কয়েক লাখ মানুষের মনে।

 

মেরিনা লাভলী/আমজাদ মিন্টু/রিংকু কুন্ডু/আল হেলাল/এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে