আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > সিরিজ চ্যালেঞ্জিং পার্থক্য গড়বে স্পিন-রিভার্স সুইং: স্মিথ

সিরিজ চ্যালেঞ্জিং পার্থক্য গড়বে স্পিন-রিভার্স সুইং: স্মিথ

প্রতিচ্ছবি ক্রীড়া প্রতিবেদক:

সময় গড়িয়েছে অনেক। বছরের হিসেবে দেড় যুগেরও বেশি। অথচ এর মাঝে সাদা পোশাকে দল দুটির কীনা দেখা হয়েছে গুনে গুনে চার বার।

এমন পরিসংখ্যানে অস্ট্রেলিয় অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথও অবাক। সব মিলিয়ে তাই নিজেদের জন্য সিরিজটি চ্যালেঞ্জিং হবে বলেই মনে করছেন। জানালেন এ পিচে পার্থক্য গড়ে দেবে স্পিন ও রিভার্স সুইং।

মিরপুরে জিম সেশন শুরুর আগে খুঁটিয়ে দেখে নিলেন ২২ গজের পিচ। এর পরপরই স্মিথ মুখোমুখি হলেন সংবাদ মাধ্যমের।

বললেন, ‘স্পিন অবশ্যই একটা বড় ভূমিকা রাখবে। ধারণা করছি রিভার্স সুইংও পাওয়া যাবে। পার্থক্য গড়ে দেবে স্পিন ও রিভার্স সুইং।’

টেস্ট সিরিজের প্রসঙ্গ যতবারই উঠেছে বাংলাদেশের প্রশংসা ঝরেছে স্মিথের কণ্ঠে, ‘এটা আমাদের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং একটি সিরিজ হবে, কেননা বাংলাদেশ ঘরের মাঠে খুব ভাল করছে। তাদের দলে কয়েকজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে, যারা খুবই ভয়ঙ্কর।’

বললেন, ‘১৭ বছরে মাত্র চার টেস্ট, কিছুটা বিস্মিত আমি। যারা সূচি তৈরি করে তারাই ভাল বলতে পারবে। এটা প্রশাসনিক ব্যাপার। আশা করি এটা একটা ভালো সিরিজ হবে।’

 সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন স্মিথ। কথা বলেন সিরিজ ছাড়াও নিরাপত্তা নিয়ে।

সবশেষ ২০০৬ সালে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশে এসেছিল অস্ট্রেলিয়া। ১১ বছর পর এবার স্টিভেন স্মিথের নেতৃত্বে এসেছেন তারা।

লম্বা সময় ধরে দল দুটি টেস্টে মুখোমুখি না হওয়ায় দুই দলেই এমন অনেক ক্রিকেটার আছেন যাদের অভিজ্ঞতা নেই পরস্পরের সঙ্গে টেস্ট খেলার। এ ব্যাপারটি নিয়ে অবশ্য দুশ্চিন্তা নেই স্মিথের মধ্যে। বরং তিনি বেশ রোমাঞ্চিত, ‘ব্যাপারটা রোমাঞ্চকর হবে। ওয়ানডে, টি-টুয়েন্টিতে আমরা মুখোমুখি হয়েছি সে হিসেবে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়েরই চেনা-জানা আছে।

দুই ম্যাচের এই সিরিজটা হওয়ার কথা ছিল ২০১১ সালে। নানা অজুহাতে সিরিজটি পেছায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। গত বছর নিরাপত্তার অজুহাতে সিরিজটি পেছায় তারা। যে নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে তাতেই খুশিই থাকছেন স্মিথরা, ‘দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ নিরাপত্তা নিয়ে অনেক কাজ করেছে। সব কিছুই ভাল মনে হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। আগামী ২২-২৩ আগস্ট বিসিবি একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

এর পর ২৭ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। আর ৪ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া।

এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে