আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > চট্টগ্রাম > অস্তিত্ব হারানো খাল পুনরুদ্ধারে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

অস্তিত্ব হারানো খাল পুনরুদ্ধারে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

অস্তিত্ব হারানো খাল পুনরুদ্ধারে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

প্রতিচ্ছবি চট্টগ্রাম প্রতিবেদক :

প্রাচীনকাল থেকেই অসংখ্য খাল জালের মতো ছড়িয়ে আছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। কিন্তু দুষণ-দখল আর ভরাটের কবলে পড়ে হারিয়ে গেছে খালগুলোর প্রাণ। পরিণত হয়েছে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বেশিরভাগ এলাকায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। দেখা দেয় ভোগান্তি।

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তির লক্ষে নিশ্চিহ্ন হওয়া খাল পুনরুদ্ধারে নেমেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। সম্প্রতি মহেশখালী ও গয়নার ছড়ার দুই পাড়ে বিপুল সংখ্যাক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। দেরিতে হলেও সিটি কর্পোরেশনের এই পদক্ষেপকে সাধুবাধ জানিয়েছেন নগর বিশেষজ্ঞরা।

প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার শিকার হন চট্টগ্রামবাসী। চলতি বছর বর্ষার আগেই কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণে তিন দফায় পানিবন্দী হয়ে পড়ে নগরীর বিশাল এলাকার কয়েক লাখ মানুষ। এমনকি নগরীর উচু এলাকা হিসেবে পরিচিত ষোলশহর, নাসিরাবাদের মতো এলাকা কোমর সমান পানিতে তলিয়ে যায়। এতে চরম দূর্ভোগে পড়ে নগরবাসী।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রথম ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হয়। ওই মাষ্টারপ্ল্যানে ৭০টি খালের মধ্যে ৩৮টি খালের অস্বিত্ব আছে। চাক্তাই, কলাবাগিচা, হিজড়া, মির্জা, বির্জা, মহেশ, মরিয়মবিবি, মধ্যম-বদরসহ বেশিরভাগ খাল দুষণ-দখলে বিপন্ন হয়ে গেছে।

জলাবদ্ধতার জন্য নগরীর খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়া এবং দুষণ-দখলকে অন্যতম কারণ বলে চিহ্নিত করেছে সচেতন মহল। তবে জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নগর বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার আলী আশরাফ বলেন, চট্টগ্রামে খালের জায়গা নিজেদের দখলে এনে সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ নেওয়ার মত ঘটনাও ঘটেছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার খাল উদ্ধারের এই পক্রিয়াকে সাধুবাধ জানিয়ে এতে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকে আন্তরিক হওয়ারও আহবান জানান।

চট্টগ্রাম শহরের বিদ্যামান খাল পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে জিরো টলারেন্স অবলম্বনের কথা জানিয়েছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

জয় নয়ন/এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে