আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > চোখের জলে ভাস্কর আবদুল্লাহ খালিদের চির বিদায়

চোখের জলে ভাস্কর আবদুল্লাহ খালিদের চির বিদায়

২১ মে, ২০১৭

abdullah-khalid-update
প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:
ভাস্কর আব্দুল্লাহ খালিদকে শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আর চোখের জলে চিরবিদায় জানালেন সর্বস্তরের মানুষ। তাঁরই তৈরি ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শ্রদ্ধা জানায় ভক্তরা।
দুপুরে চারুকলা ইন্সটিটিউট থেকে তাঁর মরদেহ আনা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সমানে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে তাকে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবস্থানে দাফন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অপরুপ নিদর্শনের স্থপতি আব্দুল্লাহ খালিদের হাতে গড়া অপরাজেয় বাংলার পাদদেশেই তাঁর প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা। চোখের জলে ভালোবাসার মানুষটাকে বিদায় জানান ভক্তরা।
শিক্ষক, রাজনীতিবিদ ও সংস্কৃতিজনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সবার প্রার্থণা নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা মানুষটি যেখানেই থাকবেন নিশ্চয় ভালো থাকবেন।

syed_abdullah_khalid
এরআগে সকালে হাসপাতালের হিমঘর থেকে তাঁর মরদেহ আনা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটে। বন্ধু, দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা স্মৃতিচারন করেন তাঁকে নিয়ে।
ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাজা শেষে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। সেখানেই চির নিদ্রায় শায়িত হলেন অপারাজেয় আবদুল্লাহ খালিদ। শনিবার রাতে মারা যান তিনি।
সিলেট জেলা শহরে জন্ম নেওয়া আব্দুল্লাহ খালিদ ১৯৬৯ সালে  ইস্ট পাকিস্তান কলেজ অফ আর্টস অ্যান্ড ক্রাফ্টস (বর্তমান চারুকলা) থেকে চিত্রাঙ্কন বিষয়ে স্নাতক এবং পরে ১৯৭৪ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিত্রাঙ্কন ও ভাস্কর্যে স্নাতকোত্তর করেন।

১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক অপরাজেয় বাংলা নির্মাণকাজ শুরু করেন সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ। ১৯৭৯ সালে ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন হয় ‘অপরাজেয় বাংলা’র।
তাঁর অমর সৃষ্টি আবহমান বাংলা, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান দপ্তরের টেরাকোটা, অঙ্কুর, ডলফিন, মা ও শিশু’র মধ্যে বেঁচে  থাকবেন এই স্থপতি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে