আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > বরিশাল > ‘সিডরম্যান’ জয়দেব দত্তের মরদেহ উদ্ধার

‘সিডরম্যান’ জয়দেব দত্তের মরদেহ উদ্ধার

‘সিডরম্যান’ জয়দেব দত্ত

প্রতিচ্ছবি বরগুনা প্রতিনিধি:

‘সিডরম্যান’ খ্যাত বরগুনার তালতলী উপজেলার বড় বগী ইউনিয়নের ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ইউনিট প্রধান ও ওয়্যারলেস অপারেটর জয়দেব দত্তের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদের সিপিসির ওয়্যারলেস অপারেটর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল।

স্থানীয় সূত্রে, বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) সকালে জয়দেব দত্ত উপজেলার স্কুল সড়কের বাসা থেকে তালতলী ওয়্যারলেস অপারেটর অফিসে আসে। ওইদিন তিনি আর বাসায় ফিরে যাননি।

শনিবার সকালে বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদে আসা সাধারণ মানুষ পচা দুর্গন্ধ পেয়ে চেয়ারম্যান আলমগীর মিঞাকে জানান। চেয়ারম্যান পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে বন্ধ কক্ষ ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে জয়দেব দত্তের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ সময় ওই অফিসের টেবিলের ওপরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, নিজ হাতের লেখা পারিবারিক বিষয়ে একটি চিঠি ও টেবিলের নিচ থেকে দুটি কীটনাশকের বোতল উদ্ধার করা হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরণ করেছে।

স্থানীয়রা জানান, জয়দেব দত্তের সাথে ৫/৬ বছর ধরে তার স্ত্রী ও দুই ছেলের সাথে ভাল সম্পর্ক ছিল না। তিনি পারিবারিক অশান্তির কারণে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে তারা ধারণা করছেন।

বড়বগী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন আলম মুন্সি জানান, সকালে ইউনিয়ন পরিষদে আসা মানুষ পচা দুর্গন্ধ পেয়ে আমাকে জানায়। পরে পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে বন্ধ দরজা ভেঙে জয়দেবের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

তালতলী থানার উপ-পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম জানান, জয়দেব দত্ত ২/৩ দিন আগে অফিসের ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) কমলেশ চন্দ্র হালদার বলেন, এটি হত্যা না আত্মহত্যা সেটি উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

এসএম

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে