আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > বিশ্ব রেকর্ডের জন্য সাঁতরে চলেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা

বিশ্ব রেকর্ডের জন্য সাঁতরে চলেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা

বিশ্ব রেকর্ডের জন্য সাঁতরে চলেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা

প্রতিচ্ছবি ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

ক্ষিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার বাসিন্দা। একাত্তরের রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে শত্রু বাহিনীকে পরাস্ত করে দেশ স্বাধীন করেছেন। স্বাধীনতার এত বছর পর এখনো তার মনের সাহস-শক্তি ও উদ্যম এক বিন্দুও কমেনি। এখনো মানুষের মনে বাংলাদেশকে সুউচ্চে তুলে ধরার দূর্বার প্রয়াস নিয়ে এগিয়ে চলছেন নিরন্তর।

সাঁতারে রের্কড গড়ার লক্ষ্যে শুক্রবার বিকেলে ময়মনসিংহের ফুলপুরের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও মদনের নাগরিক কমিটির যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাতারু বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্ষিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য জয় করতে নামেন ১৪৬ কিলোমিটার ব্যাপী বিস্তৃত সীমানার দূরপাল্লার একক সাঁতার।

img_2481

ফুলপুরের সরচাপুর ব্রীজ হতে নেত্রকোনার মদনের মগরা ব্রীজ (কংশ-মগরা নদী) পর্যন্ত ১৪৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে নেমে এখনও (সন্ধ্যা) সাঁতরে চলেছেন তিনি। আনুমানিক আজ রাত ১০টার দিকে শেষ করা কথা।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ফুলপুরের সংসদ সদস্য শরীফ আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরী, উপজেলা ভাইস-চেয়্যারম্যান অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান, ফুলপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

ফুলপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার এম.এ. হাকিম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গোলাম মর্তুজা তালুকদার (লাল মিয়া) এবং নেত্রকোনার মদন পৌরসভার সাবেক মেয়র ও মদন নাগরিক কমিটির আহবায়ক দেওয়ান মোদাচ্ছের হোসেন। ফুলপুরের সরচাপুর ব্রীজ ও নদীর দুই পাড়ে দু দিন ধরেই অনেক লোকজনের সমাগম হয়। সকলেই হাততালি দিয়ে সাঁতারু ক্ষিতিন্দ্র চন্দ্র বৈশ্যকে উৎসাহ দিয়েছেন।

র্দীঘ এ পথ পাঁড়ি দিতে কোন সমস্যা যেন না হয় সে জন্য দুটি নৌকা তাকে সার্বক্ষণিকভাবে অনুসরণ করেছে আর তার খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানায় আয়োজকরা। বিশেষত সাঁতারে থাকা অবস্থায়ই খাবার গ্রহণ করেন তিনি। স্বাধীনতার পর তিনি সাঁতারে র্স্বণপদকসহ অনেক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এ বীর মুক্তিযোদ্ধা।

কাজী মোহাম্মদ মোস্তফা/এফ এইচ/এমএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে