আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > আইন-মানবাধিকার > ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলা, হাইকোর্টের রুল জারি

ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলা, হাইকোর্টের রুল জারি

ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলা, হাইকোর্টের রুল জারি

প্রতিচ্ছবি বরিশাল প্রতিনিধি :

হাইকোর্টের আদেশ ও বরিশালের অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যাপর্ন ট্রাইব্যুনালের ষ্ট্যাটাসকো আদেশ অমান্য করার অপরাধে বরিশলের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঝুমুর বালার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উজিরপুর পৌর সদরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বৃদ্ধ দেবতোষ চন্দ (৭৮) বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের দৈত বেঞ্চের বিচারপতি মোঃ আশফাকুল ইসলাম এবং আশিষ রঞ্জন দাসের বেঞ্চে দেবতোষ চন্দের পক্ষে ঝুমুর বালার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলাটি দায়ের করে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এ্যাডভোকেট বিভাষ চন্দ্র বিশ্বাসসহ একাধিক অইনজীবী অংশ নেন।

আদালতের বিচারপতিদ্বয় মামলাটি আমলে নিয়ে ওইদিনই উজিরপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঝুমুর বালাসহ বরিশালের সাবেক জেলা প্রশাসক ড. গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান, এডিসি রেভিনিউ মোঃ আহসান হাবিব, উজিরপুরের সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুম্পা সিকদারসহ আটজনের বিরুদ্ধে একটি রুল জারি করেন।

একইসাথে বিচারপতিদ্বয় আদালতের আদেশ অমান্য করে উজিরপুর পৌর সদরের পূর্ব পুরুষদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসবাস করা দেবতোষ চন্দর ভিটেবাড়ির ৮০ শতক জমি চিহ্নিত ভুমিদস্যুদের কাছে অবৈধভাবে দেওয়া ডিসিআর (লিজ) স্থগিত করার আদেশ দিয়েছেন।

মামলার বাদী দেবতোষ চন্দ অভিযোগ করে বলেন, ‘উজিরপুর মৌজার বিভিন্ন দাগ ও খতিয়ানের ১ একর ৬৯ শতক সম্পত্তি আমার পৈত্রিক রেকর্ডিয় ভিটা বাড়ি। আমাদের সহয় সম্পত্তির ওপর দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয় ভূমিদস্যুদের লোলুপ দৃষ্টি পরে।’

তিনি আরও জানান, তাদের সম্পত্তি ভিপি তালিকাভূক্ত না হওয়া সত্বেও প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের যোগসাজশে উজিরপুর উপজেলার বর্তমান ইউএনও ঝুমুর বালা গত ৪ জুলাই স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাই হাওলাদারের পুত্র জাহিদুর রহমানের কাছ থেকে ১৩৯৭ বাংলা সাল থেকে ১৪২৪ সাল পর্যন্ত বকেয়া লিজমানি বাবদ ২১ হাজার সাতশ’ টাকা গ্রহণ করে তার নামে হিন্দু পরিবারের সম্পত্তির ৩৫ শতক, একইভাবে এনায়েত হোসেনের স্ত্রী রাশিদা বেগমের নামে একই অর্থ আদায় করে ৩৫ শতক ও তরনী কান্তর পুত্র মাখন লালের কাছ থেকে বকেয়া লিজমানি বাবদ ছয় হাজার দুইশ’ টাকা গ্রহণ করে তার নামে ১০ শতক জমি বন্দোবস্ত প্রদান করেন।

দেবতোষ চন্দ বলেন, এই সম্পত্তিতে আমার ঠাকুর দাদার ঠাকুর দাদারও শ্মশান রয়েছে। ইউএনও’র কাছ থেকে বন্দোবস্তের কাগজ নেয়ার পর থেকে প্রভাবশালীরা আমার পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে পুরো পরিবারকে উৎখাত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে।

নিকুঞ্জ বালা পলাশ/এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে