আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > ক্যাম্পাস > শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে ব্র্যাকের ক্লাস বাতিল

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে ব্র্যাকের ক্লাস বাতিল

brac_u-movement

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক :

রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে লাঞ্ছনাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান বিক্ষোভের মুখে দুই দিনের ক্লাস বাতিল করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বুধবার বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈয়দ সাদ আন্দালিব স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, বুধ ও বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস হবে না।

তবে এসময় নির্ধারিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

এছাড়া লাঞ্ছনার ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা কমিটি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রত্যাখ্যান করায় নতুন একটি কমিটি করা হয়েছে, যার প্রধান হিসেবে রয়েছেন গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান আ.ফ.ম. ইউসুফ হায়দার।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষক অধ্যাপক আফসান চৌধুরী, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাজদিন হাসান ও একজন ছাত্র প্রতিনিধি।

গত ৩০ জুলাই শিক্ষক ফারহান উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে কি ঘটেছিল তার ব্যাখ্যা পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তৈরি করতে বলা হয়েছে কমিটিকে। প্রয়োজনীয় নীতিমালা মেনে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল কিনা তাও দেখতে বলা হয়েছে।

এদিকে শিক্ষক লাঞ্ছনাকারী কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবিতে বুধবারও বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা থাকলেও কোনো সাড়া না পেয়ে তারা ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ও দুই নম্বর ভবনে ঢোকার গেট বন্ধ করে দেন।

এরপর তারা সামনের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে থাকলে কয়েকজন শিক্ষক এসে বুঝিয়ে তাদের ভেতরে নিয়ে যান। পরে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে শিক্ষার্থীরা রাস্তার দুই পাশে মানববন্ধনে দাঁড়ান।

এর আগে দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ফ্যাকাল্টি মেম্বার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সমর্থন জানান।

আইন বিভাগের শিক্ষক ফারহান উদ্দিন আহমেদ রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ শাহুল আফজালের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পর রোববার থেকে তীব্র চাঞ্চল্যকর অবস্থার সূত্রপাত হয়েছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে শিক্ষকতা করছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী ফারহান। তার দাবি, চুক্তির মেয়াদ ৩০ আগস্ট পর্যন্ত হলেও তার আগেই তাকে কর্মচ্যুত করার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। আর এই হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করলে তার উপর হামলা চালানো হয়।

রেজিস্ট্রারসহ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে মঙ্গলবার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টির কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলে। উল্লেখ্য যে, ওই তদন্ত কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এফ এইচ / এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে