আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > আন্তর্জাতিক > বিদেশে চীনের প্রথম সামরিক ঘাঁটি, উদ্বিগ্ন ভারত

বিদেশে চীনের প্রথম সামরিক ঘাঁটি, উদ্বিগ্ন ভারত

chinanavy

প্রতিচ্ছবি ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:

বিশ্ব মানচিত্রে ‘আফ্রিকার শিং’ হিসেবে পরিচিত দেশ জিবুতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম সামরিক ঘাঁটি চালু করল চীন।

মঙ্গলবার চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মির ৯০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পতাকা উড়িয়ে ঘাঁটিটি উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে চীনের নৌবাহিনীর উপ-কমান্ডার তিয়ান ঝং এবং জিবুতির প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ ৩শ’রও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বেতারের খবরে।

এদিকে, ভারত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত জিবুতিতে চীনের এ সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত।

নয়াদিল্লির আশঙ্কা, ভারত মহাসাগর এলাকায় বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে চীনের সামরিক ও বাণিজ্যিক জোট গড়ার যে ‘স্ট্রিং অব পার্লস’ পরিকল্পনা আছে; জিবুতি হবে চীনের সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে অন্যতম কৌশল।

কৌশলগত দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত জিবুতিতে চীন গত বছর থেকেই একটি সরবরাহ ঘাঁটি তৈরি করতে শুরু করে।

নির্দিষ্টভাবে সোমালিয়া ও ইয়েমেন উপকূলের সাগরে শান্তিরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার মিশনে অংশগ্রহণকারী চীনা নৌবাহিনীর জাহাজগুলোতে সরবরাহ অব্যাহত রাখাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

বেইজিং এটিকে ‘সরবরাহ স্থাপনা’ বলে অভিহিত করলেও এটিই আসলে বিদেশের মাটিতে চীনের প্রথম নৌঘাঁটি।

এ ঘাঁটির ফলে আফ্রিকা ও পশ্চিম এশিয়ায় মানবিক ত্রাণ ও শান্তিরক্ষা, জাহাজগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার মিশনে চীনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

ঘাঁটিটি দেশের বাইরে সামরিক সহযোগিতা, যৌথ মহড়া, সাগরে চীনা স্বার্থের সুরক্ষা, জরুরি উদ্ধার অভিযান ও সরিয়ে নেয়ার মতো দায়িত্বও পালন করতে সক্ষম হবে এবং পাশাপাশি যৌথভাবে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বজায় রাখতে সচেষ্ট হতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এফ এইচ / এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে