আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > মধুমাসে বাজার জুড়ে রসালো ফল

মধুমাসে বাজার জুড়ে রসালো ফল

18600818_1348241331925582_2062299195_n

১৯ মে ২০১৭,

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক

গ্রীষ্মকাল, মৌসুমি ফলের বাজারে হরেক জাতের সুস্বাদু ফল। আম লিচু কাঁঠাল তরমুজ ইত্যাদি ফলের সরবারহ বেড়েছে অনেক। জমে উঠেছে রাজধানী সহ সারা দেশের ফলের বাজারগুলো। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা মিললো নানা রঙয়ের ফলের সমাহার।

“আমাদের এখানে ফলের সরবরাহ আগের মত নাই, বিদেশী ফল আসে বেশী, দেশী ফলের বাজার এখনো জমজমাট না” বলছিলেন মহাখালী বাজারের ফল বিক্রেতা জসিম। তিনি আরো বলেন ক্রেতারা বিদেশী ফল বেশী চায় বলেই তারা আপেল আঙ্গুর মাল্টার মত ফল বেশী নিয়ে আসেন। জুনের শুরুতে ফলের আরো বড় বড় চালান আসবে বলে জানান তিনি।

18555217_1348241395258909_953433653_n

বড় বড় ফলের দোকান ছাড়াও রাস্তার ধারে বসেছেন ফল বিক্রেতারা। নগরীর সুপারশপ গুলোতেও রয়েছে ফলের আধিক্য। কিছু মৌসুমী ফল ব্যবসায়ী আছে যারা   এই সময়ে শুধু আম বা লিচু নিয়ে ফুটপাত দখল করে বসে। তাদের জন্য নিয়মিত ব্যবসায়ীদের কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

আরেক ফলের দোকানদার আব্দুল হাকিম জানান,বেশীরভাগ আম এখন আসছে সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী থেকে। এবারের অধিক বৃষ্টি ও শিলা বৃষ্টির কারণে ফলের উৎপাদন গতবারের চেয়ে কম। তাছাড়া প্রচুর পরিমানে ফল বিদেশে রপ্তানী হয়ার কারণে দেশীয় বাজারে বেড়েছে ফলের দাম।

প্রতি কেজি আম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি, একশো লিচু ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, কাঁঠাল প্রতি পিস ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, তরমুজ ১৫০ থেকে ২৫০, আনারস জোড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত। আব্দুল হাকিম জানান ফলের বাজারে মানুষের আনাগোনা কম। তারা ফল কিনতে তেমন আগ্রহী না। তবে তিনি আশা করছেন রোজার সময় বেচাকেনা বাড়তে পারে। তবে তিনি এ ও জানান, রমযানে দেশী ফলের দাম কমে বাড়তে পারে বিদেশী ফলের দাম।

18578639_1348241298592252_587137986_n

প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান হতে ট্রাক বোঝাই করে  ফল আসে কাওরান বাজার এবং  দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি ফলের হাট পুরোন ঢাকার বাদামতলীতে। বাজারে খুচরা ও পাইকারি দামের পার্থক্যের কারণে ক্রেতারা  বেশ অসন্তুষ্ট। ফলের দাম মধ্য আয়ের মানুষের নাগালের বাহিরে ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরকারী কর্মকর্তা আবুল খায়ের। তিনি প্রতিচ্ছবিকে জানান, “ সবসময় আমরা ফল কিনতে পারিনা, এই সময়ে বাজারে অনেক দেশী ফল থাকে বলে  কিনতে এসেছি, কিন্তু দাম এখনো বেশী।“ মহাখালি বাজারে কথা হল ব্যাংক কর্মকর্তা সেলিনা হোসেন এর সাথে। তিনি বললেন,” দাম আরেকটু কম হলে ভাল হত, আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই দাম কমে যাবে।“ তবে ফলে ফরমালিন যেন না দেয়া হয় সে বিষয়ে  সরকারের সম্পৃক্ততা আশা করছেন অনেক ক্রেতারা।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে