আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > আইন-মানবাধিকার > হত্যা মামলায় ‘খালাস’ পাওয়া চার আসামির যাবজ্জীবন

হত্যা মামলায় ‘খালাস’ পাওয়া চার আসামির যাবজ্জীবন

প্রতিচ্ছবি ময়মনসিংহ প্রতিনিধি :

ময়মনসিংহের ফুলপুরের তোফাজ্জল হত্যা মামলায় ‘খালাস’ পাওয়া চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহের জেলা ও দায়রা দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জহিরুল কবির এ রায় দেন।

মামলার রায়ে ফুলপুরের কালনিকান্দা গ্রামের রুকনুদ্দিনের ছেলে আব্দুল মোতালেব, আছিরউদ্দিনের ছেলে আব্দুল হারিজ, মুনসুর আলীর ছেলে চানু ও আব্দুর রহমানের ছেলে শহীদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৩ সালের ৭ জুলাই রাত সাড়ে আটটার দিকে জরুরি কথা আছে বলে ফুলপুরের ঘোষগাঁও গ্রামের মো. আব্দুল খালেকের ছেলে তোফাজ্জলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় আসামিরা। কিন্তু এরপর আর তোফাজ্জল বাড়ি ফিরে আসেনি।

পরিবারের লোকজন আসামিদের জিজ্ঞাসা করলে তারা ওই রাতেই তোফাজ্জল বাড়ি ফিরে গেছে বলে জানায়। পরে ২৪ জুলাই কালিয়া নদীতে তোফাজ্জলের লাশ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে তোফাজ্জলের পিতা আব্দুল খালেক আকন্দ বাদী হয়ে ফুলপুর থানায় পাচঁজনের নামে খুন ও লাশ গুমের মামলা করে। এতে অভিযোগ করা হয়, আসামি মোতালেবের বোনের সাথে তোফাজ্জলের সম্পর্কের জেরে আসামিরা তোফাজ্জলকে খুনের পর লাশ গুম করে ফেলে।

পরবর্তীতে ওই মামলায় আসামিদের নামে আদালতে অভিযোগ পত্র দেয় পুলিশ। ১৯৯৯ সালের ১৬ মে ওই মামলার রায়ে একই আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ লায়লা সামলা বানু আসামিদের বেকসুর খালাস দেন।

এরপর বাদী ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ক্রিমিনাল রিভিশন দায়ের করলে ২০১৪ সালের ১০ জুলাই রায় পুণ:বিবেচনার জন্য একই আদালতে নথি ফেরত পাঠায়। ইতোমধ্যে উক্ত মামলার মুল নথিটি বিধি মোতাবেক ধ্বংস হয়ে গেলে মামলাটির নথি পুর্ণগঠন করা হয়।

এর মধ্যে ফুলপরেুর কালনিকান্দা গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে আসামি মীর কাশেম ও মামলার বাদী তোফাজ্জলের পিতা আব্দুল খালেক আকন্দ মারা যায়।

কাজী মোস্তফা/এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে