আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > লাইফ-স্টাইল > আনারসের যত গুণ

আনারসের যত গুণ

natural-fresh-pineapples-for-saleপ্রতিচ্ছবি ডেস্ক:

অনেকের পছন্দের তালিকায় রয়েছে আনারস ফলটি। ভিটামিন সি এর বড় একটি উৎস আনারস। টক মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি যেমন মুখরোচক তেমন এর রয়েছে নানবিধ উপকারী কার্যাবলি।

রোগ প্রতিরোধ : আপনি যতটুকু আনারস খেতে পারবেন, তাতে প্রতিদিনের প্রয়োজন মিটিয়েও ৩০ শতাংশ বাড়তি ভিটামিন সি মিলবে। অ্যাসকর্বিক এসিডের অন্যতম সেরা উৎস হিসাবে বিবেচিত হয় আনারস। এর ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রক্তের শ্বেত কণিকার কার্যক্রম ত্বরাণ্বিত করে।

আরথ্রাইটিস সামলাতে : পুরনো আমল থেকেই হাড়ের সংযোগস্থল ও পেশির যন্ত্রণা উপশমে আনারস খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। বিশেষ করে আরথ্রাইটিসের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের ব্যাপক উপকার মিলবে আনারসে। এতে আছে এক বিরল প্রোটেওলিটিক উৎসেচক, যার নাম ব্রোমেলাইন। জটিল প্রোটিনগুলোকে ভাঙতে প্রাথমিক সহায়তা দেয় এই এনজাইম।

টিস্যু ও কোষের স্বাস্থ্য : ভিটামিন সি এর সাধারণ এক বৈশিষ্ট্য হলো কোলাজেন তৈরিতে ভূমিকা রাখা। আনারস এ কাজে খুব ভালো। রক্তবাহী শিরার অভ্যন্তরীন দেয়াল, ত্বক, প্রত্যঙ্গ এবং হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন এই কোলাজেন। আনারসের ভিটামিন সি অতি উচ্চমানের। ক্ষত সারাতে এটি খুব দ্রুত ক্রিয়াশীল হয়।

pineappleক্যান্সার ঠেকাতে : আনারসে আরো আছে ভিটামিন এ, বেটা ক্যারোটিন, ব্রোমেলাইন, বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভোনয়েড উপাদান এবং উচ্চমাত্রার ম্যাঙ্গানিজ। এসব উপাদান সুপারোজাইড ডিসমুটেস নামের এক শক্তিশালী উৎসেচক সৃষ্টির অংশ হয়ে ওঠে। ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদানকে দেহ থেকে বের করে দিতে তৎপর থাকে এটি।

হজম : অন্যান্য ফলের মতো আনারসও ভক্ষণোযোগ্য ফাইবারে পরিপূর্ণ। তবে আনারস অনন্য। খাওয়া যায় এবং খাওয়া যায় না- এই উভয় ধরনের ফাইবার রয়েছে আনারসে। কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, অস্বস্তিকর পেটের পীড়া, অ্যাথেরোসক্লেরোসিস কিংবা রক্ত জমাট বাঁধার মতো স্বাস্থ্যগত বিষয়ে এই ফল খুবই উপকারী।

সর্দি ও জ্বর : শ্বাসযন্ত্র ও সাইনাসে কফ ও মিউকাস তৈরিতে বাধা দেয় আনারসের ব্রোমেলাইন। এ কারণে সর্দি ও জ্বরের অতি জরুরি পথ্য হিসাবে বহুল প্রচলিত ফল এটি। কারো ঘরে জ্বর হয়েছে তো আনারস নিতে যেন ভুল না হয়।

এন টি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে