আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > লাইফ-স্টাইল > ছয়মাস পর থেকে বাচ্চার খাবার

ছয়মাস পর থেকে বাচ্চার খাবার

child_face_food_spoon_baby_63385_2560x1600প্রতিচ্ছবি ডেস্ক:

বাচ্চা জন্মের পরপর একজন মায়ের চিন্তাই থাকে মূলত কিভাবে বাচ্চাটাকে বড় করবেন, কি খাওয়াবেন, কোন উপায়ে যত্ন নিবেন এসব কিছু। বাচ্চা জন্মের ৬ মাস পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ সবথেকে উপকারি বাচ্চার জন্য। তাই তখন খাবার নিয়ে অত দুঃশ্চিন্তা না আসলেও সমস্যা শুরু হয় পরে। বাচ্চা যখন ৬য়ে পা দেবে তখন থেকে তার জন্য পরিমিত কিছু পুষ্টিকর খাবার দরকার যা তার বিকাশে সহায়ক। পূর্ণ  ৬ মাস  বয়স থেকে মায়ের দুধের সংগে সংগে যে সমস্ত খাবার পরিপূরক হিসাবে শিশুর জন্য প্রযোজ্য সেসব খাবারের কিছু কিছু উল্লেখ করা হলো…

১.আলু সিদ্ধ ও ডাল চটকিয়ে খাওয়ান।

২. ডালে বা দুধে ভেজানো রুটিও খাওয়াতে পারেন।

৩. ফলের রস ও চটকানো ফল (দেশীয় ফল যেমন কলা, পেঁপে, কাঁঠাল, পেয়ারা, আম, আনারস ইত্যাদি)

৪. দুধের পায়েস বা দুধ দিয়ে রান্নাকরা সুজি

৫. নরম সিদ্ধ ডিম

৬ ভাত, মুড়ি, চিড়া, দুধ দিয়ে নরম করে মেখে মুখে তুলে দিন।

৭. শাক-সব্জি, চাল, ডাল ও তেল দিয়ে নরম খিচুড়ি রান্না করে দিন

৮. টমেটো, মটরশুটি, ফুলকপি, সীম ও অন্যান্য শাকসব্জি ভাল করে সিদ্ধ করে চটকিয়ে নিয়মিত খাবার বানাতে পারেন।

৯. পরিমাণে স্বাভাবিক খাবার। কিন্তু তাতে ঝালও মসলা কম হতে হবে

১০. এ সমস্ত খাবারের সাথে রান্না করা মাছও চটকিয়ে দেয়া যায়

১১. খাবারের সাথে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করতে হবে

এসব প্রাকৃতিক খাবার বাচ্চার উপযোগী করে রান্না করে খাওয়ান। তবে বাজারের নিম্নমানের সাপ্লিমেন্টারী খাবারগুলো পারতপক্ষে না খাওয়ানোই ভাল। উপযুক্ত পরিপূরক বা বাড়তি খাবার যদি বেশি দেরী করে শুরু করা হয় তাহলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। শিশু পুষ্টিহীণতায় ভোগে, যার ফলে বাকি জীবনের উপর নানা রকম প্রভাব ফেলে। ফলে বিভিন্ন অপুষ্টিজনিত উপসর্গ দেখা দেয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে