আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > মজার খবর > বিখ্যাত তিন বিজ্ঞানীর মজার কান্ড

বিখ্যাত তিন বিজ্ঞানীর মজার কান্ড

4_141897প্রতিচ্ছবি ডেস্ক:

বিজ্ঞানীরা সবসময় আমাদের চোখে জ্ঞানী। আর জ্ঞানীরা হবেন খুব গুরুগম্ভীর এমনটাই ধারণা সবার। তবে তাদের জীবনের কিছু মজার কাহিনী রয়েছে যা হয়তো আমাদের অজানা। চলুন জেনে নেই সেরকম কিছু।

টমাস আলভা এডিসন:  তিনি বৈদ্যুতিক বাল্ব ও গ্রামোফোন আবিষ্কার করার জন্য বিখ্যাত । তিনি ছোটবেলা থেকেই মজার সব কল্পকাহিনী ঘটিয়েছিলেন। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ছয় বছর। একদিন এডিসনের বাবা মা এডিসনকে অনেক খোঁজা খুঁজির পরে দেখতে পেলেন এডিসন হাঁসের খাঁচার মধ্যে ঢুকে বসে আছে। কেন বসে আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাঁস কিভাবে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটায় তাই দেখছিলাম। এক পার্টিতে এক ভদ্র মহিলা এডিসনের দারুণ প্রশংসা করছিল। সামনা সামনি এত সুনাম এডিসনের ভাল লাগছিলনা। ঐ দিকে মহিলা ও থামছে না। তখন এডিসন মনে মনে ভাবল ঈশ্বর আমি যা আবিস্কার করেছি তা তো চাইলেই থামিয়ে দেওয়া যায় কিন্তু এ তো দেখছি থামছেই না।

imagesবিজ্ঞানী নিউটন: ইংল্যান্ডের এক বুড়ি মহিলা তার জানালা দিয়ে পাশের বাড়ির এক বুড়োকে দেখলো বুদবুদ বানাচ্ছে। একদিন দুইদিন তিনদিন এভাবে বেশ কয়েকদিন লক্ষ করার পর তার মনে হল এই বুড়ো হয়ত পাগল। সে পুলিশে ফোন করলো। পুলিশ এসে খোঁজ নিয়ে দেখল যে ইনি বিখ্যাত বিজ্ঞানী নিউটন। তিনি তখন বুদবুদের গাঁয়ে যে রংধণুর সৃষ্টি হয় তার কারণ নিয়ে গবেষণা করছিলেন।

linবেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন: আমেরিকার ইতিহাসে এক অন্যতম আলোচিত ব্যক্তি। বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের বাসার সামনে সবসময় একটা ঘোড়ার খুর টাঙ্গানো থাকতো। তৎকালীন মানুষের মধ্যে কুসংস্কার ছিল বাসার সামনে খুর টাঙ্গানো থাকলে সকল বালা মসিবৎ দূর হয়ে যাবে। সাংবাদিকরা যখন তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলো তখন তিনি সোজাসাপ্টা জবাব দিলেন “ এক টুকরা ঘোড়ার খুর যদি সব বালা মসিবত দূর করতে পারে তবে ঝুলাতে অসুবিধা কোথায়?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে