আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > লাইফ-স্টাইল > বিষণ্ণতা থেকে বেরিয়ে আসার উপায়

বিষণ্ণতা থেকে বেরিয়ে আসার উপায়

ডিপ্রেশন

প্রতিচ্ছবি ডেস্ক:

ভয়াবহ রোগের নাম বিষণ্ণতা। ভেতরে ভেতরে কুঁকড়ে ফেলে মানুষকে। সবচেয়ে বেশি এ সমস্যায় ভুগে নারীরা। বিষণ্ণতায় ভোগার অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। কখনো সেটা মানসিক, কখনো শারীরিক আবার কখনো বা পারিবারিক জীবন। এই বিষণ্ণতা থেকে বের হয়ে আসার জাদুকরী কোন পন্থা নেই তবে চাইলে আমরা এটাকে কমিয়ে আনতে পারি।

১) দায়িত্ব নিন:

সাধারণভাবে বিষণ্ণতায় ভুগলে আমরা আমাদের এমনভাবে গুটিয়ে নেই যেনো আমাদের কোন দায়িত্ব নেই কোন দায়ভার নেই। এই ধারণা থেকে প্রথমে বেরিয়ে আসুন। একজন নারী হিসেবে আপনার দায়িত্ব হল নিজের পরিবার আর ঘর সংসার সামলে রাখা, আর তাই বিষণ্ণতা থেকে বের হয়ে আসতে আপনার করণীয় হবে নিজ হাতে সব দায় দায়িত্ব বুঝে নেওয়া নিজেকে কাজের মধ্যে ডুবিয়ে রাখা।

২) স্বাস্থ্যকর খাবার খান:

এটা সত্যি যে এমন কোন খাদ্য নেই যা আপনাকে এক ঝটকায় সব বিষণ্ণতা আর হতাশা থেকে বের করে আনবে। তবে হ্যাঁ, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার আপনার শরীর আর মন দুটোকেই প্রাণবন্ত রাখতে সাহায্য করবে, তাই নিয়মিত স্বাস্থ্যসম্মত আর পুষ্টিকর খাবার খান। আমাদের দেশের নারীদের প্রায়ই দেখা যায় পরিবারের জন্য ভালো খাবারটা রেখে নিজে কোন মতে জীবন ধারণের জন্য খাবার খেয়ে থাকেন। আর এই অভ্যাস এমনিতেই নারীর শরীর মনে প্রভাব ফেলে, বিষণ্ণতায় ভোগার এটি একটি কারণ।

৩) পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান:

নারী দেহে বিভিন্ন রোগের সাথে সাথে বিষণ্ণতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ পর্যাপ্ত পরিমাণ না ঘুমানো। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানোর জন্য একটি রুতি করে নিন, সময় অনুযায়ী সব কাজ শেষ করে দিনে একটু হলেও বিশ্রাম নিন। আর রাতে অনেক সময় অবধি টিভি অথবা নিজের যেকোন কাজ নিয়ে বসে না পরে বরং একটু চেষ্টা করুন শান্তিপূর্ণ ভাবে ঘুমানোর। পর্যাপ্ত ঘুম হলে এমনিতেই আপনার মন ভালো থাকবে আর বিষণ্ণতা দূরে পালাবে।

সানজিদা প্রীতি

৪) নেতিবাচক মনোভাব ত্যাগ করুন:

নিজেকে পৃথিবীর সব থেকে বুদ্ধিহীন আর গুরুত্বহীন মানুষ বলে হয়? সত্যি বলতে বেশিভাগ নারীরাই নিজেদের এভাবেই মূল্যায়ণ করে থাকেন। আর  নিজেদের এই ধরণের আত্ম তাদের আরো বেশী করে বিষণ্ণতায় ভোগায়। তাই নিজের সম্পর্কে সব ধরণের নেতিবাচক চিন্তা চেতনা বাদ দিন, নিজেকে নতুন করে চিনুন। নিজের সম্পর্কে একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলুন মনে মনে দেখবেন আর বিষণ্ণ থাকছেন না।

৫) প্রাণখুলে হাসুন আর সেটাই করুন যাতে আপনি আনন্দ পান:

সব সময় দুঃখী দুঃখী ভাব আপনাকে এমনিতেই দুঃখী করে তোলে আর বিষণ্ণতার পরিমাণটাও বাড়িয়ে দেয়। তাই হাসি খুশী থাকুন, নিজেকে একলা করে না রেখে সবার সাথে মিশুন, আনন্দ দুঃখ সবটা ভাগাভাগি করে নিন। আপনি আনন্দ খুঁজে পান এমন কোন কাজকে দূরে রাখবেন না বরং আপনার আনন্দ বৃদ্ধি করে এমন কাজের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে তুলুন। এটা নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যায় আপনি আর বিষণ্ণ হবেন না।

নিজেকে কখনো একা ভাববেন না। আপনার চলার পথে অনেকে আপনাকে সঙ্গ দেবে, হয়তো প্রতিটা মানুষ আপনার সাহায্যকারী হিসেবে আসবে না তবে ক্ষতি যে করবে এমনটা নয়। সব সময় ইতিবাচক চিন্তা ভাবনা আপনার বিষণ্ণতা কাঁটিয়ে উঠার সব থেকে সহজ রাস্তা

সূত্র: পরামর্শ.কম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে