আপনি আছেন

সিবিটের চমক

অনেকের কাছেই নতুন প্রযুক্তির সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মেলার নাম সিবিট। কিছু দ্বিমত আছে বটে, তবে তাঁদের কেউই আধুনিক জীবনযাপনে সিবিটের গুরুত্ব ছোট করে দেখেন না। সেই ১৯৭০ সাল থেকে বার্ষিক এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে জার্মানির হ্যানোভারে। এ বছরও হয়েছে, ২০ থেকে ২৪ মার্চ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন, ইন্টারনেট অব থিংস, ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি আর ফাইভজি—এই হলো এবারের সিবিট মেলার মূল ধারা। অর্থাৎ মেলায় নতুন যেসব প্রযুক্তি দেখানো হয়েছে, সেগুলো এই সাতটি বিষয় ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে।

bb

এবারের সিবিট মেলার অংশীদার দেশ ছিল জাপান। আর তাই জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সঙ্গে উদ্বোধনী পর্বে অংশ নেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। ম্যার্কেলের গুরুত্ব ছিল খোলা বাজারের ওপর। আর আবে তাঁর দেশে চালু করা নতুন বাণিজ্যনীতি আলোচনায় আনেন। পরে দুজন মেলা ঘুরে দেখেন। ইনটেলের এই ড্রোন নিয়ে তাঁরা দুজন খুব মনোযোগ দিয়ে কী যে দেখছিলেন, তা জানার সুযোগ হয়নি, তবে দুজনই যে নতুন প্রযুক্তি নিয়ে খুব আগ্রহী, তাতে সন্দেহ নেই।aaতথ্যপ্রযুক্তির নতুন ধারা উপস্থাপনের মঞ্চ সিবিট মেলা। প্রতিষ্ঠানগুলোও তাই এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না। ছবিতে জবরজং যন্ত্রপাতি পরিহিত এক মানুষ, সঙ্গে এক রোবট। কিছু ক্ষেত্রে মানুষের কর্মক্ষমতা সীমিত। অন্যদিকে রোবটের চিন্তার সীমারেখাও সীমিত। তাই মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে রোবটের কর্মক্ষমতার মিশেল ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছে এখানে। অর্থাৎ এই যন্ত্র পরে মানুষ যা করতে চাইবে, রোবটটি ঠিক তা-ই করে দেখাবে। বিশেষ করে যেখানে মানুষের পক্ষে যাওয়া বিপজ্জনক কিংবা শারীরিক সীমাবদ্ধতার জন্য মানুষ পারছে না, এমন কাজে রোবটটি ব্যবহার করা যাবে।

প্রথমেই বলে রাখি, ছবিটি প্রতীকী। এই যুগে সবকিছুই ডিজিটাল, সিবিটের মূলনীতিতেও তার প্রতিফলন আছে। সেখানে বাস্তবে হ্যাকার গিয়ে ভল্ট লুট করবে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। কিন্তু হ্যাক করে তো সেই সম্পদই লুট করা হচ্ছে। আর হ্যাকাররা সেটা করছে নিজ ঘরে বসেই, ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সুযোগ নিয়ে। সিবিটে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে বেশ কিছু সম্মেলন-কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারই কোনো এক ফাঁকে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে এক প্রদর্শনকারী হ্যাকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে