আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > আইন-মানবাধিকার > উপহার দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন এরশাদ

উপহার দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন এরশাদ

৯ মে, ২০১৭

arshad

প্রতিচ্ছবি ডেস্ক
রাষ্ট্রপাত থাকাকালিন বিভিন্ন উপহার সামগ্রী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় খালাস পেয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।
মঙ্গলবার মামলায় সাজার দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে এরশাদের আপিল গ্রহণ করে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণার করেন।
তিন বছরের সাজা পান প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ (এইচ. এম.) এরশাদ। সাজার বিরুদ্ধে করা আপিলের রায় আজ।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল এরশাদের করা আপিলের শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। গত ৩০ মার্চ এই মামলায় সাজা বৃদ্ধি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলে পক্ষভুক্ত হয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরপর গত ২৭ মার্চ এরশাদের দুর্নীতি মামলার আপিল শুনানির জন্য নতুন বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি।
উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ এরশাদের আপিলের রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারিত থাকলেও বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুসের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা না করে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেন।
গত বছরের ৩০ নভেম্বর দীর্ঘ ২৪ বছর পর দুর্নীতি মামলায় সাজার বিরুদ্ধে এরশাদের আপিল শুনানি শুরু হয়।

hussain-muhammad-ershad
১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি থাকাকালে বিভিন্ন উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এরশাদের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে ১৯৯১ সালের ৮ জানুয়ারি তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন আহমেদ সেনানিবাস থানায় মামলাটি করেন। মামলায় এক কোটি ৯০ লাখ ৮১ হাজার ৫৬৫ টাকা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়।
ওই মামলায় ১৯৯২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের রায়ে এরশাদের তিন বছরের সাজা হয়। একই সঙ্গে ওই অর্থ ও একটি টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে এরশাদ ১৯৯২ সালে হাইকোর্টে আপিল করেন। আদালত আপিল গ্রহণ করে রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন ও নিম্ন আদালতের নথি তলব করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে